জঙ্গিদের নিশানায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি: টুঙ্গিপাড়ায় ঝটিকা অভিযানের মহাপরিকল্পনা
সারাদেশে শয়তানের খোঁজ চলছে, ধরা পড়ল কত!
১০ নভেম্বর আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ‘কিশোর গ্যাং বলল আওয়ামীলীগ
এই আন্দোলন এখন নিরীহ মানুষ হত্যার বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন
১০ শতাংশ ভোটার কমাতে সক্ষম হয়েছে বিএনপি
মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন: কেঁদে কেঁদে মিজান বললেন, ‘জাতির কাছে বিচার দিতে এসেছি’
এডিসি হারুনের পরিবার বিএনপি-জামায়াত: রাব্বানী
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন : সরগরম হয়ে ভারতের গণমাধ্যম
জঙ্গি নাটক সাজিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ও ভারতকে দেখাতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল
মোঃ শহর আলী 10.Jan.2019; 03:36:19
অফিসের বস ও অধস্তনদের মধ্যে সম্পর্ক ভাল হলে তবেই কাজের সেরাটুকু পায় সংস্থা। এ কথা যেমন সত্যি, তেমনই কর্মক্ষেত্রে বসের সঙ্গে তেমন ভাল বোঝাপড়া না থাকলে কাজের পরিস্থিতি খুব জটিল হয়ে ওঠে। চাকরি জীবনের এই চাপ ধেয়ে আসে ব্যক্তিগত জীবনেও।
অনেকেই কর্মক্ষেত্রে নিজের সেরাটুকু দেন, চেষ্টা করেন ভাল করে কাজও করতে। তবু কোথাও বসকে খুশি করতে অক্ষম হন তাঁরা। বেশ কিছু বেসরকারি অফিসে ভাল কাজ করেও বছর শেষের বেতনবৃদ্ধি বা পদোন্নতিতে কোপ পড়ে। অথচ, তুলনামূলক অদক্ষ কর্মী স্রেফ বসের সঙ্গে ভাল বোঝাপড়া থাকার দরুন উন্নতির শিখরে ওঠেন, এমন অভিযোগও নতুন নয়।
আপনার সঙ্গেও কি তেমন ঘটনাই ঘটে? বসের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য বা সমস্যায় দরকারি পরামর্শ পাওয়ার কোনও সুযোগই নেই, উল্টে কোনও সমস্যা নিয়ে গেলেই তা থেকে নানা তর্কের শিকার বা হেয় প্রতিপন্ন হতে হয়? এ কি কেবল আপনারই কোনও সমস্যা নাকি আসলে বস ব্যক্তিগত ভাবে পছন্দ করেন না আপনাকে? এক জন মানুষের মন বুঝতে পারা যায় তাঁর কিছু ব্যবহার থেকেই। আপনার প্রতি বসের মানসিকতাও বুঝে যান এ ভাবেই।
* প্রায়ই কোনও কাজের কথা বলতে গিয়ে আপনি দীর্ঘ ক্ষণ কেবিনের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন আর বস যেন দেখেও দেখেন না আপনাকে। আর এ ভাবেই নিজের টেবিলে কাজে ব্যস্ত থাকেন তিনি। কিংবা ঘন ঘনই ব্যস্ততার কথা বলে ফিরিয়ে দেন। এমনকি মিটিং চলাকালীন আপনার দেওয়া কোনও সঙ্গত প্রস্তাবকেও তুলনায় খাটো করে দেখেন বা গুরুত্ব দেন না। এমন হলে তিনি কেবল কাজের ব্যস্ততার কারণেই এমনটা করেন বলে ভাববেন না। আপনাকে অপছন্দ করাও এর অন্যতম কারণ হতে পারে।
* ছুটিছাটার ক্ষেত্রে সকলে কমবেশি শিথিলতা পেলেও আপনার বেলায় কি সে সব নিয়ম খুবই কড়া? এমন বৈষম্য হলে জানবেন, তিনি ব্যক্তিগত ভাবেই পছন্দ করেন না আপনাকে। আর তারই কারণে এ সব ঘটে।
*কোনও কথা বলার সময় প্রায়ই নেতিবাচক শরীরী ভাষায় কথা বলেন তিনি, যে কোনও ভাবেই দরকারে যুক্তিহীনের মতোই স্রেফ পদাধীকারবলে অপমান করার প্রবণতা যদি দেখতে পান তাঁর মধ্যে, তবে সচেতন হোন। প্রয়োজনে অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
* ব্যক্তিগত জীবন বা পারিবারিক কোনও দুঃসংবাদ কাটিয়ে অফিসে যোগ দেওয়ার পর তিনি যদি এক বারও সে বিষয়ে খোঁজখবর না করেন, তবে জানবেন, কেবল ব্যস্ততা বা কাজের চাপই এই ভুলে যাওয়ার নেপথ্য কারণ নয়। বসের মনের তালিকাতেও আপনি আসলে ব্ল্যাকলিস্টেড!আরও পড়ুন : এক বউয়ের পাঁচ স্বামী! আরও পড়ুন : রাতে ভাল ঘুম হয় না! দেখন সমাধান