জঙ্গিদের নিশানায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি: টুঙ্গিপাড়ায় ঝটিকা অভিযানের মহাপরিকল্পনা
সারাদেশে শয়তানের খোঁজ চলছে, ধরা পড়ল কত!
১০ নভেম্বর আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ‘কিশোর গ্যাং বলল আওয়ামীলীগ
এই আন্দোলন এখন নিরীহ মানুষ হত্যার বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন
১০ শতাংশ ভোটার কমাতে সক্ষম হয়েছে বিএনপি
মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন: কেঁদে কেঁদে মিজান বললেন, ‘জাতির কাছে বিচার দিতে এসেছি’
এডিসি হারুনের পরিবার বিএনপি-জামায়াত: রাব্বানী
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন : সরগরম হয়ে ভারতের গণমাধ্যম
জঙ্গি নাটক সাজিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ও ভারতকে দেখাতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল
মোঃ শহর আলী 08.Dec.2020; 09:34:32
বাচ্চারা খেলতে খেলত শেখে। তাদের বিভিন্ন দক্ষতা প্রকাশ পায়। খেলায় মজা যেমন থাকে তেমনই থাকে আবিষ্কারের আনন্দ। কিন্তু শিশুদের খেলায় ব্যস্ত রাখা এবং একই সঙ্গে আনন্দ দেওয়া সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। প্রায় পুরো সময় চাকরির মতো। যে সব শিশুর চলাফেরায় সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য খেলাধুলোর ব্যবস্থা করা আরও কঠিন। তাদের জন্য এমন খেলার ব্যবস্থা করা দরকার যা থেকে তারা কিছু শিখতে পারবে। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ধারণা গড়ে উঠবে। আর সেসবই ঘরে বসেই তৈরি করা যাবে। খেলাও যাবে। খেলাগুলো সন্তানের সঙ্গে মিলে মা-বাবাও তৈরি করতে পারেন।
ইউনিসেফ বিশেষ ভাবে সক্ষম শিশুদের জন্য ১০টি খেলার সন্ধান দিয়েছে। যে খেলাগুলো ধৈর্য ধরে বাড়িতেই তৈরি করে সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো যায়। কিছু শেখা যায় এবং উপভোগ করা যায় খেলা।
প্রথম খেলা। নানা রকমের খেলনা জোগাড় করে একটি ট্রে-র মধ্যে রাখুন। রাখা যেতে পারে মেঝেতেও। এত খেলা দেখলে শিশুরা খুশি হবে। চেষ্টা করুন সেন্সর আছে, এমন খেলনা জোগাড় করতে। অথবা ‘সাকশন কাপ’ আছে এরকম খেলনা নেওয়া যেতে পারে। সেগুলো মেঝেয় আটকে দেওয়া দেওয়া যায়। ব্যবহার করা যায় স্পঞ্জও।
একটা বল দিয়েও একটা খেলনা তৈরি করা যায়। সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কাপড়ের টুকরো দিয়েও বল বানিয়ে নেওয়া যায়। তার আগে ঠিক করে নিতে হবে আপনার সন্তান কী ভাবে খেলতে পারে? হাতে না পায়ে? শিশুর সক্ষমতা অনুযায়ী খেলনাটি তৈরি করা যেতে পারে।
সন্তান যখন ঘরে তৈরি খেলনা নিয়ে খেলবে তখন তার ভিডিয়ো রেকর্ডিং করে রাখুন। অডিয়ো রেকর্ডও করে রাখতে পারেন। আপনার শিশু হাসলে বা গান গাইলে সেই আওয়াজ রেকর্ড করে রেখে পরে বাজিয়ে শোনানোও যায়। তাতে শিশুরা আনন্দ পাবে।
শিশুকে রান্নাঘরেও খেলার ব্যবস্থা করা যায়। তাকে রান্নাঘরে নিয়ে যান। বলুন, আপনি যা রান্না করছেন তাতে সে যেন তার মতো করে সাহায্য করে। তবে বিষয়টি আপনি কী রান্না করছেন তার উপরে নির্ভর করবে। আর তাতে শিশুর আগ্রহ আছে কিনা লক্ষ্য করতে হবে। না হলে শিশুর খাবার বাটি-চামচ দিয়ে বলুন আপনি যা করছেন সে-ও যেন দেখে দেখেআরও পড়ুন : এক বউয়ের পাঁচ স্বামী! আরও পড়ুন : রাতে ভাল ঘুম হয় না! দেখন সমাধান
তা করে।
যে সব শিশু আঁকতে ভালবাসে তাদের আঁকতে দিন। সামনে দিন রং করার তুলি, আঁকার জিনিসপত্র, আর রং। এমন জিনিস দিতে হবে যা সহজে ধরা যায়। তাতে কম নড়াচড়া করতে পারে এমন বাচ্চাদের সুবিধা হয়। আঙুলে রং করাতে আনন্দ পায় শিশুরা।
একসঙ্গে বই পড়ুন। তবে বই রাখতে হবে আপনার শিশুর সক্ষমতার উপর ভিত্তি করে। সেই মতো বসে বা দাঁড়িয়ে বই পড়তে পারেন। পারিবারিক অ্যালবাম বার করে চেনামুখগুলো খুঁজে বের করার খেলাও করা যেতে পারে। শিশুর দেখার সুবিধার জন্য বালিশ, টেবিল ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।
একটা পাত্রে জল ভরে সন্তানের সামনে দেওয়া যেতে পারে। বা ট্রে ভর্তি বালিও দিতে পারেন। দেওয়া যায় কিছু খেলনাও।
ময়দার তালও খেলনা হতে পারে। বা মাটির তাল। এবার কোনও ছাঁচ নিয়ে নানা রকম মডেল তৈরির খেলা শুরু করে দিন। সহজ ধাঁধা বা মডেল তৈরি করেও শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো যেতে পারে। শিশুর সঙ্গে গান করতে পারেন। নাচতে পারেন। বা নানারকম আওয়াজ করে তাদের আনন্দ দিতে পারেন। শিশুরা খুশি থাকবে।
আনন্দবাজার থেকে