জঙ্গিদের নিশানায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি: টুঙ্গিপাড়ায় ঝটিকা অভিযানের মহাপরিকল্পনা
সারাদেশে শয়তানের খোঁজ চলছে, ধরা পড়ল কত!
১০ নভেম্বর আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ‘কিশোর গ্যাং বলল আওয়ামীলীগ
এই আন্দোলন এখন নিরীহ মানুষ হত্যার বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন
১০ শতাংশ ভোটার কমাতে সক্ষম হয়েছে বিএনপি
মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন: কেঁদে কেঁদে মিজান বললেন, ‘জাতির কাছে বিচার দিতে এসেছি’
এডিসি হারুনের পরিবার বিএনপি-জামায়াত: রাব্বানী
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন : সরগরম হয়ে ভারতের গণমাধ্যম
জঙ্গি নাটক সাজিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব ও ভারতকে দেখাতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল
মোঃ শহর আলী 23.Aug.2019; 02:35:02
পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে বর্ষার তীব্র স্রোত। এ স্রোতের প্রভাবে নদীর তলদেশে পলির স্তর জমায় চলাচল করতে পারছে না স্প্যানবাহী ক্রেন। এই দুই প্রাকৃতিক সমস্যায় পড়ে জুলাই মাসে বসানো যায়নি নতুন কোনো স্প্যান।
তবে প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, বর্ষায় কাজের গতি ধীর হয়ে আসলেও এটি হিসেবের মধ্যে থাকায় প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করার বিষয়ে কোনো সমস্যা হবে না।
নদীতে তীব্র স্রোত। চেনা পদ্মা এখন অনেকটাই অচেনা, আগ্রাসী। নদী জুড়ে কাজের ছড়াছড়ি। সব পিলারের পাইলিংয়ের কাজ শেষ। ৪২টি পিলারের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হয়ে গেছে ৩১টির। স্প্যান বসেছে ১৪টি। এখন একটার পর একটা নতুন স্প্যান যোগ হওয়ার কথা থাকলেও গত এক মাসের বেশি সময় ধরে স্প্যান বসানো যাচ্ছে না নদীর তীব্র স্রোতের কারণে। নদীর মাওয়া প্রান্তে স্রোতের তীব্রতা এতই যে, স্প্যান বহনকারী ক্রেনটি এখান থেকে জাজিরা প্রান্তে সরিয়ে নিতে হয়েছে।
অন্যদিকে নদীর এ স্রোতের সঙ্গে তলদেশে জমছে পুরু পলির স্তর। পিলারগুলোর গোঁড়ায় পলি জমে তৈরি হচ্ছে নাব্য সঙ্কট। ফলে স্প্যানবাহী ক্রেন পিলারের কাছে নিতেও সমস্যা হচ্ছে।
পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যত বেশি কাজ করা যায়। বেশি কাজ করা গেলেই আমাদের জন্য সুবিধা। তবে স্রোত এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।আরও পড়ুন : সারাদেশে শয়তানের খোঁজ চলছে, ধরা পড়ল কত! আরও পড়ুন : ১০ নভেম্বর আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনা
তবে এ সময়টায় বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে ইতোমধ্যে পিলার ওপর বসানো স্প্যানগুলোতে রোড ও রেল স্ল্যাব বসানোর কাজ।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ হওয়ার ক্ষেত্রে বর্ষা কোন বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। কারণ, বর্ষার এ প্রতিকূলতাকে বিবেচনায় রেখেই কাজের পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, এটা তেমন কোনো সমস্যা সৃষ্টি করবে না। কারণ আমরা প্রকৃতির বিষয়কে মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করি।
এখন পর্যন্ত মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৮১ ভাগ, আর পুরো প্রকল্পের কাজ ৭১ ভাগ।
সূত্র: সময় টিভি